Sunday, May 1, 2022

To mark the International Labour Day-2022. Bangladesh Agricultural Farm Labour Federation (BAFLF) observed International Labour Day demanding exploitation free society by upholding agriculture farm workers’ rights.



 

Thursday, April 28, 2022

শ্রমিকদের নিরাপদ কর্মক্ষেত্রের অধিকার বাস্তবায়নের জন্য লড়াই

চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গিকার সজীব গ্রুপ ওয়ার্কার্স জাস্টিস কমিটির

 অদ্য, ২৮ এপ্রিল, ‘আন্তর্জাতিক শ্রমিক স্মৃতি দিবস-২০২২উপলক্ষে সজীব গ্রুপ ওয়ার্কার্স জাস্টিস কমিটি জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ্যালী মানবন্ধনের আয়োজন করে। আইইউএফ এশিয়া/প্যাসিফিক ন্যাশনাল কোঅর্ডিনেটর নাসরিন সুলতানার সঞ্চালনায় এবং সজীব গ্রুপ ওয়ার্কার্স জাস্টিস কমিটির আহŸায়ক আব্দুল মজিদ এর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে গত বছর জুলাই রূপগঞ্জের সজীব গ্রুপের কারখানায় বিপদজ্জনক অনিরাপদ কর্মপরিবেশ বজায় রাখার কারনে সংঘঠিত অগ্নিকান্ডের ঘটনায় শিশু শ্রমিক সহ মর্মান্তিক ভাবে নিহত আহত শ্রমিকদের স্মরণ করে বক্তারা বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রমিক স্মৃতি দিবস শ্রমিকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। এই দিনটি অনিরাপদ কর্মক্ষেত্রে কাজের কারনে জীবনহানি, গুরুতর আঘাত এবং অসুস্থ হওয়া শ্রমিকদের কথা মনে করিয়ে দেয়। পাশাপাশি এই দিন শ্রমিকদের জীবন রক্ষার জন্য নিরাপদ কর্মক্ষেত্রের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই করার জন্য অনুপ্রেরনা যোগায়।

বক্তারা আরো বলেন, নিরাপদ কর্মক্ষেত্র সকল শ্রমিকের  একটি মৌলিক মানবাধিকার অধিকার। এই নিরাপদ কর্মক্ষেত্র নিশ্চিত করার বাধ্যবাধকতা নিয়োগকর্তার। কর্মক্ষেত্রে নিয়োগকর্তারা সেই নিরাপত্তা প্রদানের জন্য তাদের বাধ্যবাধকতা পূরণ করে কি না এবং সে সমস্ত শিল্পে শ্রমিকদের জন্য কাজ করা নিরাপদ কি না তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের। কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকদের জীবনহানি এবং ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার দায় সরকারও এড়াতে পারে না।

সমাবেশে বলা হয়, সজীব গ্রুপের কারখানায় অগ্নিকান্ডের ঘটনায় নিহত ক্ষতিগ্রস্থ শ্রমিক পরিবারের যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হয় নাই এবং কারখানাটি এখনও নিরাপদ না। তা সত্বেও সেখানে শ্রমিকদেরকে দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে। হাসেম ফুডস এর ঘটনা একটি উদাহরন মাত্র। অভিযোগ রয়েছে অনেক কারখানায় ঝুঁকিপূর্ণ বিপদজ্জনক পরিবেশে শ্রমিকদেরকে দিয়ে এখনও কাজ করানো হচ্ছে।

মানববন্ধন থেকে শ্রমিকদের নিরাপদ কর্মক্ষেত্রের অধিকার বাস্তবায়নের জন্য লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গিকার ব্যক্ত করে দাবি জানানো হয় শ্রমিকদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং হাসেম ফুডস কারখানায় শ্রমিক হত্যাকান্ডের ঘটনা পুনরাবৃত্তি রোধে ১০ জুন ২০২১ আন্তর্জাতিক লেবার কনফারেন্সে সরকারের প্রতিশ্রæ আইএলও রোডম্যাপ বাস্তবায়নে ত্রিপক্ষীয় তদারকি কমিটি গঠনের করা; যে কোন শিল্প কলকারখানায় নিহত আহত তথা ক্ষতিগ্রস্থ শ্রমিক তাদের পরিবারকে আইএলও কনভেনশন ১২১ অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দেওয়া এবং শ্রমিকের নিরাপদ কর্মপরিবেশ প্রদানে ব্যর্থ সজীব গ্রুপকে আগুনে পুড়িয়ে শ্রমিক হত্যা এবং আহত করার দায়ে শাস্তির ব্যবস্থা করা।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন সজীব গ্রুপ ওয়ার্কার্স জাস্টিস কমিটি সদস্য সচিব গোলাম ছরোয়ার, পিভিএম এমপ্লইজ ইউনিয়ন এর সভাপতি কামরুল হাসান পলাশ, জাতীয় কিষাণী শ্রমিক সমিতির সভাপতি লিলা খানাম, নেসলে এমপ্লইজ ইউনিয়ন এর সভাপতি মোঃ আব্দুল মান্নান, কোকাকোলা এমপ্লইজ ইউনিয়ন এর সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ নূরে আলম, বাংলাদেশ কৃষি ফার্ম শ্রমিক ফেডারেশন এর সহ সাধারণ সম্পাদক মোঃ মামুন হোসেন এবং জাস্টিস কমিটির অন্তর্ভুক্ত ইউনিয়ন প্রতিনিধিবৃন্দ।





Wednesday, April 27, 2022

বাংলাদেশ কৃষি ফার্ম শ্রমিক ফেডারেশন এর ৭ম জাতীয় সম্মেলন আগামী ১৪ মে, ২০২২ তারিখ শনিবার 

কৃষি খামার শ্রমিকদের স্থায়ী চাকরির অধিকার, জীবিকার জন্য ন্যায্য মজুরী, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা, সহিংসতা ও বৈষম্য মুক্ত কর্মস্থল, জলবায়ুু কর্মোদ্যোগ এবং সামাজিক ও পরিবেশগতভাবে টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবিকে সামনে রেখে বাংলাদেশ কৃষি ফার্ম শ্রমিক ফেডারেশন এর ৭ম জাতীয় সম্মেলন আগামী ১৪ মে, ২০২২ তারিখ শনিবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।



Sunday, April 17, 2022

Farmers and agriculture workers in Bangladesh continue their struggle for their rights to land, proper land reform and food sovereignty.

Bangladesh Agricultural Farm Labour Federation [BAFLF] and Jatiyo Kisani Shramik Samity [JKSS]have observed The International Day of Peasants Struggle to commemorate the massacre of landless farmers in Brazil. To mark the Day, BAFLF and JKSS organized a rally in Gazipur. Farmers, women peasant and agricultural workers took part at that gathering to raise their demands for comprehensive and actual Agrarian Reform to ensure peoples’ food sovereignty. After rally a discussion meeting was held.





Saturday, December 18, 2021

Bangladesh Agricultural Farm Labour Federation [BAFLF] demands social protection and to respect migrant workers’ rights.

18, December,2021

Today Bangladesh Agricultural Farm Labour Federation [BAFLF] organized a rally and discussion meeting to mark International Migrant workers Day in Gazipur. In the discussion meeting BAFLF general secretary Abdul Mazid said inequality is increasing day by day. There is a lot of wage discrimination between workers and officials. The success in agriculture in our country is due to hard work of agricultural workers. Without the efforts and involvement of agricultural farm workers only scientist cannot complete research.  Whenever our federation calls on protest you all will participate. We have to overcome many challenges ahead. We have to achieve our demands through movement.

BAFLF central committee member Azgar Ali said we have seen Rohingyas from neighboring country Myanmar took shelter in our country. Our government has provided shelter to them. A small river to come to Bangladesh from Myanmar. It can be easily crossed. They have crossed by small boats. Though we have a lot of problems here, our government is supporting Rohingyas and also working to help Rohingyas to return to their homeland with dignity. Our government has shown a lot of humanity towards the Rohingyas. We have a lot of problems here in our small country. It is difficult to provide permanent shelter to 12 to 15 lakh Rohingyas.

BAFLF assistant general secretary MD. Mamun said those of us who live in the city work in various factories, government institutions and state-owned farms are paid a fixed wage. But 80% of the people live in rural areas and most of them depend on agriculture for their livelihood. At present, due to climate change, it has become difficult to work in agriculture. Because agriculture is totally dependent on weather. As a result of global warming, sea levels are rising and the number of climate induced migrants is increasing. Farmers and agriculture workers are the most affected by climate change. Those responsible for climate change must take responsibility for those affected. So, we demand social protection and cash support for farmers and the people working in rural areas lost land, house and livelihood being affected by climate change.

There are millions of people in our country are also working as migrant workers in different countries of the world. Their remittances are keeping our country's economy afloat. They must be given dignity. In many destinations country migrant workers’ rights are violated. We will work to protect the rights of migrant workers.

Golam Sorowor, Finance Secratery of BAFLF said many Bangladeshi workers try to reach Europe by boat at different times. Some people may reach out. But most people drown in different seas. Going abroad with so much trouble sends money for us, for the state, for the family. But they do not get the same benefits as the citizens of the country in which they live. We think the rights of migrant workers are human rights. Bangladesh is bordered by India. There are many incidents of border killing in Bangladesh-India border. Most of them are Bangladeshi. We know about Felani, she was hanging on the border for 4 hours after his death. Border killings must be stopped. This issue should be resolved.










Monday, August 16, 2021

নারায়নগঞ্জে সজীব গ্রুপের কারখানায় শ্রমিক অধিকার লঙ্ঘন, বিপদজনক কর্মপরিবেশ 

এর বিষয় অধিকতর তদন্তসহ আইএলও রোডম্যাপ বাস্তবায়ন করতে হবে।

- সজীব গ্রুপ ওয়ার্কার্স জাস্টিস কমিটি

অদ্য ১৬ আগষ্ট ২০২১ তারিখ রোজ সোমবার, জাতীয় প্রেস ক্লাবে সজীব গ্রুপ ওয়ার্কার্স জাস্টিস কমিটি কর্তৃক আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নারায়নগঞ্জে সজীব গ্রুপের এর কারখানায় শ্রমিক অধিকার লঙ্ঘন, বিপদজনক কর্মপরিবেশ এর বিষয় অধিকতর তদন্তসহ আইএলও রোডম্যাপ বাস্তবায়ন করার দাবি জানানো হয়। সজীব গ্রুপ ওয়ার্কার্স জাস্টিস কমিটির আহŸায়ক আব্দুল মজিদের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কমিটির সদস্য সচিব গোলাম ছরোয়ার। 

লিখিত বক্তব্যে সজীব গ্রুপ ওয়ার্কার্স জাস্টিস কমিটির পক্ষ থেকে সজীব গ্রুপের কারখানায় সংগঠিত অগ্নিকান্ডের ঘটনায় নারায়নগঞ্জ জেলা প্রশাসনের গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনকে স্বাগত জানিয়ে বলা হয় তদন্ত প্রতিবেদনে সজীব গ্রুপের কারখানায় কর্তৃপক্ষের আইন লঙ্ঘন, শিশু শ্রমিক নিয়োগ, অনিরাপদ  কর্মসংস্থান, বিপদজনক কর্মপরিবেশ বজায় রাখাসহ কোম্পানীর ধারাবাহিক নানা অপরাধমূলক অনিয়ম ও অবহেলার কারণে এই শ্রমিক হত্যাকান্ড ঘটানোর বিষয়ে সজীব গ্রুপ ওয়ার্কার্স জাস্টিস কমিটির বক্তব্য নিশ্চিত করেছে ও প্রমাণিত হয়েছে। এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে এটা পরিষ্কার সজীব গ্রুপের কারখানাটিতে কি ঘটেছিল। এখন সবার জানা দরকার কেন উক্ত কারখানায় শিশু শ্রমিক নিয়োজিত ছিল? কেন সেখানে অনিরাপদ কর্মসংস্থান ছিল? সরকারী দায়িত¦প্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ কেন সজীব গ্রুপের কারখানায় নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও শোভন কাজ নিশ্চিত করতে পারেনি? কেন সজীব গ্রুপ কর্তৃপক্ষ  তাৎপর্যপূর্ণভাবে সরকারী বিভিন্ন সংস্থার নিয়ম কানুন, আইন ও বিধি বিধান লঙ্ঘন করেছে? কেন হাসেম ফুড র্কতৃপক্ষ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স বিভাগের অগ্নি নিরাপত্তা প্লান বাস্তবায়ন করে নাই? 

সংবাদ সম্মেলনে, শ্রমিকের অধিকার এবং কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উপরোক্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর উত্তর জানা দরকার উল্লেখ করে অধিকতর তদন্ত, নিখোঁজ শ্রমিকদের ব্যাপারে তদন্ত এবং ১০ জুন ২০২১ আর্ন্তজাতিক লেবার কনফারেন্সে সরকারের প্রতিশ্রুত আইএলও রোডম্যাপ বাস্তবায়নে ত্রিপক্ষীয় তদারকি কমিটি গঠনের দাবি করা হয়। নিহত ও আহত তথা ক্ষতিগ্রস্থ শ্রমিক ও তাদের পরিবারকে আইএলও কনভেনশন ১২১ অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পাশাপাশি হাসেম ফুডস এ কর্মরত সকল শ্রমিককে বকেয়া বেতন, বকেয়া ওভারটাইমসহ তাদের প্রতি মাসের বেতন পরিশোধ করার দাবি জানানো হয়। নিহত শ্রমিক পরিবারের কোন সদস্যকে সজীব গ্রিুপের অন্য ফ্যাক্টরিতে চাকরি দেওয়ার বিষয় নারায়নগঞ্জ জেলা প্রশাসন তদন্ত কমিটির সুপারিশ একটি ভালো সমাধান। তবে সজীব গ্রুপের অন্য কারখানায় নিহত শ্রমিকের পরিবারের সদসের কর্মসংস্থানের পূর্বে সজীব গ্রুপের সকল কারখানায় বিপদজনক কর্মপরিস্থিতি, শ্রমিকদের পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা, বাংলাদেশ শ্রমআইন এবং শ্রমিক অধিকার লঙ্ঘন ও তাদের অপরাধমূলক অবহেলার বিষয় স্বচ্ছ তদন্ত করার জন্য পুনরায় সরকারের কাছে দাবি জানানো হয়।  

উক্ত সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সজীব গ্রুপ ওয়ার্কার্স জাস্টিস কমিটির অন্তর্ভ‚ক্ত খাদ্য ও কৃষি শ্রমিকদের ৮টি ইউনিয়ন এর প্রতিনিধি এবং হাসেম ফুডস লিঃ এর অগ্নিকান্ডের ট্রাজেডিতে ভুক্তভোগী শ্রমিক, শ্রমিক পরিবারের সদস্যবৃন্দ।






Monday, July 19, 2021

হাসেম ফুড কারখানায় অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলির মানসিক

বিপর্যয় এবং চরম অর্থনৈতিক দূরবস্থার সুযোগ নিচ্ছে সজীব গ্রুপ

- সজীব গ্রুপ ওয়ার্কার্স জাস্টিস কমিটি

সজীব গ্রুপ ওয়ার্কার্স জাস্টিস কমিটি অভিযোগ করেছে সরকারী বিভিন্ন সংস্থা কর্তৃক তদন্ত শেষ হওয়ার আগে এবং কোনও স্বাধীন পাবলিক তদন্ত অনুষ্ঠিত হওয়ার আগে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলির মানসিক বিপর্যয় এবং চরম অর্থনৈতিক দূরবস্থার সুযোগ নিয়ে সজীব গ্রুপ তাদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদানের দায়বদ্ধতা অস্বীকার করার জন্য ক্ষতিগ্রস্থ শ্রমিক পরিবারগুলোকে আরও আর্থিক দাবি বা ক্ষতিপূরণের অধিকার ছেড়ে দিতে বাধ্য করছে। সজীব গ্রুপ ওয়ার্কার্স জাস্টিস কমিটির বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, গত ৮ জুলাই সজীব গ্রুপের কারখানায় অগ্নিকান্ডে নিহতদের পরিবার ভবিষ্যতে আর কোনও ধরণের ক্ষতিপূরণ বা সহায়তা চাইতে পারবে না সজীব গ্রুপ কর্তৃক নির্ধারিত এই শর্তে, ১০০ টাকার স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে ১৬ জুলাই থেকে ১৮ জুলাই পর্যন্ত ২৪ জন নিহতের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকার চেক প্রদান করছে। ক্ষতিগ্রস্থ শ্রমিক পরিবারগুলোর অভিযোগ, তাদেরকে শুধু স্বাক্ষর করতে বলছে। স্বাক্ষরকারীদের বেশিরভাগই স্ট্যাম্পে কি লেখা আছে তা পড়তে পারেনি এবং কাউকেই কোন অনুলিপি দেওয়া হয় নাই। যারা এই শর্তে স্বাক্ষর করতে রাজি হয় নাই তাদেরকে চেক প্রদান করা হয় নাই।

সজীব গ্রুপের আইন লঙ্ঘনের বিষয় তদন্তাধীন রয়েছে। এ ছাড়াও প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যানসহ উর্ধতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে হত্যাকান্ড সহ ফৌজদারি অভিযোগে মামলা হয়েছে এবং এই বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করছে। সজীব গ্রুপ ওয়ার্কার্স জাস্টিস কমিটির আশঙ্কা, সজীব গ্রুপ তাদের অপরাধমূলক কর্মকন্ডের দায় থেকে বাচার জন্য এবং ক্ষতিগ্রস্থ শ্রমিকদের ন্যায় সঙ্গত ও যথার্থ ক্ষতিপূরণ প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত করার জন্য ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্যদের দ্বারা স্বাক্ষরিত উক্ত স্ট্যাম্প একটি বৈধ আইনী দলিল হিসাবে উপস্থাপন করবে এবং আইনত বাধ্যতামূলক বলে এই পরিবারগুলি আরও ক্ষতিপূরণ দাবি করতে চাইলে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার হীন উদ্দেশ্য নিয়ে এই কাজ করছে।

সজীব গ্রুপ ওয়ার্কার্স জাস্টিস কমিটি, সজীব গ্রুপের এই প্রতারনা মূলক পদক্ষেপকে অনৈতিক ও অবৈধ বলে নিন্দা জানায়। সজীব গ্রুপের ফ্যাক্টরিতে কী ঘটেছিল, কেন ঘটেছিল এবং কোন অব্যাবস্থার কারনে শ্রমিকদের প্রানহানির ঘটনা ঘটল এ বিষয় সমন্বিত তদন্তের একটি অংশ হিসাবে ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করতে হবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয় এবং এই জন্য একটি স্বাধীন পাবলিক তদন্ত কমিটি গঠনের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। সজীব গ্রুপ ওয়ার্কার্স জাস্টিস কমিটি দাবি করে স্বাধীন পাবলিক তদন্ত কমিটি ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের ভিত্তি হিসাবে কর্মস্থলে আঘাতজনিত সুবিধা বিষয়ক আইএলও কনভেনশন ১২১ সহ আরো কয়েকটি ব্যবস্থার বিষয় উল্লেখ করবে। কোনও শ্রমিকের জীবন মূল্য ২ লক্ষ টাকা এটা সজীব গ্রুপ নির্ধারণ করতে পারে না।