Friday, December 18, 2020

 

অভিবাসী কর্মীদের নিজ দেশে কর্মরত দেশের অর্থনীতিতে অবদানের স্বীকৃতি প্রদান করুন

আজ, শুক্রবার ১৮ ডিসেম্বর, ২০২০, সকাল ১০ ঘটিকায়, ব্রি-গাজীপুর বাংলাদেশের কৃষি ফার্ম শ্রমিক ফেডারেশন আয়োজিত আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবসের আলোচনা সভায় বক্তারা অভ্যন্তরীণ আন্তর্জাতিক অভিবাসন নীতি প্রনয়ন, বাংলাদেশের উন্নয়নে শ্রমিকদের অবদানের স্বীকৃতি, তাদের প্রাপ্য অধিকারসমূহও নিশ্চিত করা, বাংলাদেশের কার্যকর অভিবাসন কূটনীতি প্রণয়ন করা, দেশমাতৃকার উন্নয়নে শ্রমিকদের ঘাম-ঝরানো অর্থের যথোপযুক্ত স্বীকৃতি সম্মান দেওয়া এবং স্বদেশের উন্নয়নে তারা আরো বেশি ভূমিকা রাখতে পারে তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, সেই সত্তরের দশক থেকে পর্যন্ত বিশ্বের ১৭৩টি দেশে বাংলাদেশ থেকে প্রায় কোটি ২০ লক্ষ শ্রমিক গেছেন। তাঁদের অধিকাংশই গেছেন মধ্যপ্রাচ্য দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে। বিশ্বজুড়ে আজ অভিবাসন ইস্যু প্রধান আলোচ্য বিষয়। বিশ্বে প্রতি সাত জনে একজন ব্যক্তি অভিবাসী। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পরিবেশগত বিপর্যয় অভিবাসনকে প্রভাবিত করছে। ছাড়াও দুর্যোগে অভ্যন্তরীণ অভিবাসন বাড়ছে। ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস নদী ভাঙনের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ অভিবাসন বাড়ায় মানুষের জীবন-জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই সব প্রাকৃতিক দুর্যোগ বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ অভিবাসনের প্রধান কারণ। আইওএম এর সমীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়, খুলনায় ৪৭ শতাংশ ঘূর্ণিঝড়ের কারণে, মাটিতে লবণাক্ততায় ৪৪ শতাংশ, পানিতে লবণাক্ততায় ৪৩ শতাংশ, নদীর ভাঙনে ১০ শতাংশ; পটুয়াখালীতে ঘূর্ণিঝড়ে ৪৪ শতাংশ, পানিতে লবণাক্ততায় ১৮ শতাংশ মাটিতে লবণাক্ততায় ১৫ শতাংশ মানুষ অভিবাসনে বাধ্য হয়ে এলাকা ছেড়েছে। এর প্রভাবে দেশের বিশাল একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গ্রাম থেকে শহরে ছুটছে। গ্রাম থেকে শহরে ছুটে যাওয়ার (অভিবাসন) প্রবণতাকে নিরুৎসাহিত করে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে অর্থনৈতিক উন্নয়ন কর্মকান্ড নিয়ে যেতে হবে।

বাংলাদেশ কৃষি ফার্ম শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মজিদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য দেন মোঃ মামুন হেসেন, গোলাম ছরোয়ার প্রমূখ। সমাবেশ থেকে ভারতে চলমান কৃষকদের প্রতিবাদের প্রতি সমর্থন সংহতি প্রকাশ করা হয়।











Thursday, October 15, 2020

টেকসই খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কর্মসৃজন সহ কৃষক এবং শ্রমিকদের

অধিকার জীবিকা সুরক্ষার জন্য সরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান

আজ ১৫ অক্টোবর বাংলাদেশের কৃষি ফার্ম শ্রমিক ফেডারেশন জাতীয় কিষাণি শ্রমিক সমিতি আয়োজিত বিশ্ব খাদ্য দিবসের আলোচনায় বক্তারা কৃষি খাতকে সবচেয়ে অগ্রাধীকারযোগ্য খাত হিসেবে বিবেচনা করে কৃষিখাতে সব ধরনের উপকরণ এর সহলভ্যতা, উৎপাদন প্রণোদনা, ঋণ মওকুফ, বিনাসুদে কৃষি ঋণ প্রদানসহ কৃষকের উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধির সকল কার্যক্রম চালু রাখা, একই সঙ্গে কৃষকের ন্যায্য মূল্য পাওয়া, কৃষি পণ্য সরবরাহ চেইন ঠিক রাখা, এবং প্রান্তিক কৃষক এবং খামার শ্রমিকদের সামাজিক সুরক্ষা, জীবিকার সুরক্ষা, পরিবেশগত সুরক্ষা জলবায়ু কর্মোদ্যোগ আহ্বান জানিয়েছেন।

সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি জননেতা কমরেড রাশেদ খান মেনন এমপি বলেনবিএনপি- সাইফুর রহমান চালের দাম বেড়ে যাওয়ায় ভাতের বদলে কপি খেতে বলেছিলেন, এক ত্রগারোর জেনারেল মঈনুদ্দিন ভাতের বদলে আলু খেতে বলেছিলেন, এখন কপির দাম মানুষের নাগালের বাইরে, আর চাল আর আলুর দাম সমান সমান। সুতরাং ভাতের  বদলে কপি খাবে, অথবা আলু খাবে তার উপায় নাই। চালের দামের উর্ধগতির কারণে থালায় ভাতের পরিমাণ যেমন কমেছে, তেমনি আলুর দাম বেঁড়ে যাওয়ায় মরিচ দিয়ে আলু ভর্তা দিয়ে পেট তারও উপায় নাই। বাজার সিন্ডিকেট এতই প্রবল যে সরকার চালের দাম, আলুর দাম বেধে দিলেও তাতে থোরাই কেয়ার করছে তারা। এই অবস্থায় বাজার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে লড়াই করা ছাড়া মানুষের আর কোন উপায় নাই। আর সরকারকে এখানে মজুতবিরোধী আইন, ভোক্তা অধিকার আইনের কঠোর প্রয়োগে এগিয়ে আসতে হবে।

মেনন খাদ্য নিরাপত্তা সম্পর্কে বলেন, গুদামে- মিলে চাল থাকলেই চলবে না। সেই চালে মানুষের অধিগম্যতা আছে কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে। বাংলাদেশে উদ্বৃত্ত চাল আছে কিন্তু দাম বেড়েই চলেছে। এই অবস্থায় দেশে খাদ্য নিরাপত্তা ঝুকির মুখে। যে কোন বিপর্যয়কর পরিস্থিতিতে খাদ্যব্যবস্থা ভেঙ্গে পরবে।

বাংলাদেশ কৃষি ফার্ম শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মজিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক ছিলেন জাতীয় কৃষক সমিতির সভাপতি মাহমুদুল হাসান মানিক। আলোচনায় আরো অংশ নেন আইইউএফ এশিয়া/প্যাসিফিক এর ন্যাশনাল কো-অর্ডিনেটর নাসরিন সুলতানা, জাতীয় কিষাণি শ্রমিক সমিতির সভাপতি লিলা খানম, কোষ্ট ট্রাস্ট এর ডেপুটি ডিরেক্টর, মোঃ মুজিবুল হক মুনির, নেসলে এমপ্লইজ ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ আব্দুল মান্নান এবং মোঃ মামুন হোসেন সহ কৃষি ফার্ম শ্রমিকদের বিভিন্ন জেলার নেতৃবৃন্দ।

মাহমুদুল হাসান মানিক বলেন, ‘আমরা যখন বিশ্ব খাদ্য দিবস পালন করছি বাংলাদেশ তখন ভয়াবহ খাদ্য সংকটের দিকে যাচ্ছে। কভিড-১৯ কালে বাংলাদেশের মানুষকে খাওয়ার ব্যবস্থা করে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা যারা পালন করেছে সেই কৃষক শ্রমিক মেহনতি মানুষ আজ নিজেদের খাবার খেতে পারছে না। যেই ফার্ম শ্রমিকরা গবেষনার কাজে সহযোগিতার কারনে কৃষিতে অনেক মৌলিক পরিবর্তন হয়েছে, আজ সেই ফার্ম শ্রমিকদের অস্থায়ী শ্রমিকে পরিনত করার চক্রান্ত করা হচ্ছে। আমরা এর তিব্র প্রতিবাদ করি।তিনি বলেন, ‘খাদ্য নিরাপত্তার জন্য আজকে সবচেয়ে হুমকি ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট। বাংলাদেশে খাদ্য থাকা সত্তে¡ এই সিন্ডিকেট চক্রান্ত করে দেশকে খাদ্য সংকটের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এদেরকে অবশ্যই আইনের আওতায় এনে শাস্তি দিতে হবে

নাসরিন সুলতানা বলেন, ‘কভিড-১৯ এর ক্রমবর্ধমান সংকটের প্রতিক্রিয়া হিসাবে, বিশ্ব খাদ্য ব্যবস্থায় আধিপত্য বিস্তারকারী বিশ্বব্যাপী কৃষি-খাদ্য কর্পোরেশনগুলি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পুনরুদ্ধার করতে এবং তাদের লাভ পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছে। তারা যার ভিত্তিতে ব্যবস্থাটি পুনরুদ্ধার করতে চায় তা উচ্চ মূল্যের ব্র্যান্ড এবং পণ্য; স্বল্প আয় এবং গ্রামীণ দারিদ্র্য; উচ্চ উৎপাদনশীলতা এবং বিষাক্ত কীটনাশক; অস্থিতিশীল ইন্ডাস্ট্রিয়াল কৃষি এবং পরিবেশ ধ্বংস যা কৃষি শ্রমিক, প্রান্তিক কৃষক এবং তাদের সম্প্রদায়কেদীর্ঘস্থায়ী খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার মুখোমুখি করে।

জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা ২০২০ সালের এপ্রিলে প্রকাশিত প্রতিবেদন এর বিষয় উল্লেখ করে জনাব নাসরিন আরো বলেন, ‘আমরা যেভাবে কৃষি উৎপাদন করি এবং বিশ্বকে খাওয়াই তা যদি পরিবর্তন না করি তবে আমরা পরবর্তী মহামারিটিও তৈরি করব যা করোনাভাইরাস সৃষ্ট কভিড-১৯ জাতীয় রোগের উত্থান এবং বিস্তারকে বৃদ্ধি করবে। পরবর্তী মহামারি প্রতিরোধ করতে এবং বৈশ্বিক খাদ্য সংকট প্রতিরোধ করতে আমাদের অবশ্যই বিদ্যমান বিশ্ব খাদ্য ব্যবস্থাকে অবশ্যই পরিবর্তন করতে হবে এবং খাদ্য সুরক্ষা পুষ্টির সার্বজনীন অধিকার থেকে শুরু করে সামাজিক সুরক্ষা এবং ব্যাপক অধিক অধিকার-ভিত্তিক, পরিবেশগত টেকসই বিশ্ব খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য অবশ্যই সরকারকে পদক্ষেপ নিতে হবে।

জাতীয় কিষাণি শ্রমিক সমিতির সভাপতি লিলা খানম বলেন, ‘খাদ্য সংকট মোকাবেলা করার জন্য সরকারের ব্যপক ভিত্তিক কর্ম পরিকল্পনা নিতে হবে এবং এই কর্মপরিকল্পনার একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে কৃষক, কৃষি শ্রমিক, নারী এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।এদেরকে বাদ দিয়ে, এদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে, কর্মসংস্থানের সুরক্ষা না করে, তাদের জীবিকা সুরক্ষা না করে, তাদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে, খাদ্য ব্যবস্থা কোন ভাবেই টেকসই করা সম্ভব নয়। সুতরাং সরকারকে গ্রামীণ কর্মসংস্থান তৈরি এবং কৃষি খাতে সরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে এবং নারীর প্রতি সহিসংসতা বন্ধ করা কৃষক হিসেবে নারীর স্বীকৃতি এবং ভূমির উপর তার সমান অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

জনাব মোঃ মুজিবুল হক মুনির বলেন, ‘খাদ্য সংসম্পূর্ণতা অর্থবহ করতে হলে অবশ্যই কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে হবে এবং শ্রমিকদের কাজের নিশ্চয়তাসহ ন্যায্য মজুরি প্রদান করতে হবে।




Friday, July 3, 2020


পাটকলগুলোতে কর্মরত পাটকল শ্রমিকদের বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বাংলাদেশ কৃষি ফার্ম শ্রমিক ফেডারেশন এর পক্ষ থেকে বিক্ষোভ কর্মসূচী পালিত।

২ জুলাই ২০২০, গাজীপুর:
সম্প্রতি, সরকার অব্যাহত লোকসানের কথা তুলে ধরে ২৫টি রাষ্ট্রায়াত্ত পাটকল বন্ধ করে প্রায় পঁচিশ হাজার স্থায়ী শ্রমিককে গোল্ডেন হ্যান্ডশেক কর্মসূচির মাধ্যমে অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে। এর প্রতিবাদে এবং পাটকল শ্রমিকদের আন্দোলনের প্রতি একাত্বতা ঘোষনা করেছেন বাংলাদেশ কৃষি ফার্ম শ্রমিক ফেডারেশন। বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন; করোনাভাইরাস দুর্যোগের প্রেক্ষাপটে মানুষ যখন দিশেহারা, যখন বেসরকারি খাতে অনেকে চাকরি হারাচ্ছেন, তখন সরকার এটিকে সুযোগ হিসাবে নিয়েছেন। এই ধরনের সিদ্ধান্ত অন্যায্য ও অযৌক্তিক। কোনও অজুহাতেই সরকারি পাটকল বন্ধ না করে কলগুলোয় উন্নত প্রযুক্তির আধুনিক মেশিন সংযোজন করে পাটকল চালু রাখতে হবে। কর্মকর্তাদের দুর্নীতির দায় শ্রমিকরা নিতে পারে না। দুর্নীতি কমাতে পারলেই পাটকলগুলোকে আর লোকসানের ঘানি টানতে হবে না।






Monday, April 20, 2020

BAFLF & NWFA demand basic income guaranty for agriculture workers and unconditional cash incentive for small scale farmers affected by COVID-19 outbreak.

Bangladesh Agricultural Farm Labour Federation General Secretary Abdul Mazid and National Women Farmers and Workers Association General Secretary Rima Akther in a joint statement, call upon Govt. to guarantee basic wage incentives payment to agricultural workers including workers engaged in informal work and special bailout that include unconditional cash payment and relief for small scale and marginal farmers impacted by COVID-19.

The statement mention the the global pandemic coronavirus first hit on working people. The impact of this crisis on the people in agricultural communities is significant. Country-wide lockdowns, public transportation closure, and emergency movement control measures threaten the incomes and livelihoods of agriculture workers and farmers including informal sectors workers, their health and safety and those of their family members. Workers working on all sizes of farms, plantations and unorganized sectors are at risk of being deprived of the necessary public health and social protection. Women workers in particular are at high risk. As many as 20 million low-income working people’s income source has now completely stopped and they have become unemployed and their condition has come to a miserable stage due to the ongoing shutdown as most of them usually live their life by earning on a daily basis.

Along with the workers, small and medium farmers are facing huge financial losses after the shutdown had started on March 2020 with a view of flattering the curve of Coronavirus. Farmers are unable to reach the market due to collapsed distribution network. They could not supply perishable produce like vegetables, eggs and milk to market despite of having demand for such fresh products. So farmers are facing extreme financial hardships losing their capital. Many farmers will be unable to produce in the days ahead.

The global food crisis is likely to be affected by coronavirus. In this case, it is important to continue producing local food for the sake of country’s food security. Therefore, appropriate measures should also be taken to encourage and support local food production without putting the health and safety of agricultural workforce at risk. We welcome the Prime Minister's announcement of bailout package of providing capital support to farmers to continue food production. However, considering the emergency sector, this incentive must be unconditional. It is urgently necessary and reasonable to provide this incentive without interest for agriculture sector and to extend its coverage. At the same time, in the fight to contain the spread of COVID-19 a comprehensive effective initiative must be taken to ensure country’s food sovereignty and people’s right to food, as well as ensuring  food and housing security and avoiding unnecessary exposure of  health and safety risk of  agricultural workers and people in agriculture communities.

Since agricultural workers are essential for food security, BAFLF & NWFA call on government to implement the following measures to protect agricultural workers, farmers and their families.

1.     Ensure that three-month emergency wage assistance is provided to all workers including workers engaged in non-formal farming, financially impacted by COVID-19, for the reason such as lose of work,lose of market, illness, or unpaid  self-isolation.

2.     In recognition of the essential services that agricultural workers provide, wage for agricultural workers must immediately be increased along with risk allowance.

3. Employer must provide transportation to and from the farm and ensure physical distancing to the transport. Vehicles must be regularly disinfected and adequate safety measures will be provided to the transport workers.

4. In the upcoming paddy harvesting season, government must arrange transportation for workers to and from farms and ensure physical distancing to the govt. provided transport and the vehicles must be disinfected regularly.

5.  Workers working on farms/fields must always have access to adequate drinking water, sanitation facilities, all necessary protective clothing and disinfectant.

6.  Include agriculture workers in social security and health insurance schemes like workers in other sectors.

7.    The rights of women workers must be ensured: special attention must be paid to their income and social protection, maternity protection, postnatal care, appropriate protective equipment and protection from sexual harassment.

8.    Small scale and medium farmers, people engaged in poultry and dairy farms should be included in the emergency cash incentive package.

9.     In collaboration with union/farmers’ organization and other local stakeholders prepare a list of sharecroppers, landless and marginal farmers working informal agriculture affected by COVID-19 outbreak and  must take immediate measures to provide them  compensation. To support local food production they are also included in the cash incentive package and provide unconditional cash support.

10. With the help of  union/farmers’ organization and other local stakeholders under the supervision of the District Commissioner, a list of the victims in the rural areas must be prepared and emergency relief should be provided to the effected people.

11. Since small scale and marginal  farmers are unable to sell the produce, they are facing  financial loses and do not have available  cash capital. Appropriate measures to be taken  to give them immediate cash assistance for harvesting with zero interest.

    12. Immediately implement measure to waive agricultural loan payment to              affected farmers.